উন্নয়ন প্রকল্পে বরাদ্দ করা জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা দেশের স্বার্থ ও মানুষের কল্যাণে যথাযথভাবে ব্যয়ের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ ক্ষেত্রে সরকারি কর্মকর্তাদের সতর্ক, দায়িত্বশীল ও আন্তরিক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
উন্নয়ন প্রকল্পে বরাদ্দ করা জনগণের অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে সরকারি কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা দেশের স্বার্থে ও মানুষের কল্যাণে ব্যয় করতে হবে।
আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম ও বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব হাসান শিপলু এ তথ্য জানান।
তিনি জানান, সভায় মন্ত্রণালয়ের চলমান কার্যক্রম, গৃহীত উন্নয়ন প্রকল্প, ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা ও নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, মন্ত্রণালয়ের অধীনে নেওয়া বিভিন্ন প্রকল্প ও নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জনে সরকার বাজেট বরাদ্দ দেবে। তবে এই অর্থ জনগণের। তাই বরাদ্দের প্রতিটি পয়সা যেন যথাযথভাবে দেশের স্বার্থে ও মানুষের কল্যাণে ব্যয় হয়, সে বিষয়ে কর্মকর্তাদের মনোযোগী থাকতে হবে।
সরকারি দায়িত্বকে দেশের মানুষের জন্য কাজ করার বিশেষ সুযোগ হিসেবে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার তুলনায় সরকারি দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা সুবিধাপ্রাপ্ত অবস্থানে রয়েছেন। এই সুযোগ দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজে লাগানো উচিত।
তিনি বলেন, আল্লাহ তাআলা দেশ ও মানুষের জন্য কাজ করার সুযোগ দিয়েছেন। প্রত্যেকের যতটুকু কাজ করার সুযোগ রয়েছে, তা আন্তরিকতার সঙ্গে সম্পন্ন করার চেষ্টা থাকতে হবে।
দায়িত্ব পালনের সুযোগ সব সময় পাওয়া যায় না উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যে ব্যক্তি যখন যে দায়িত্বে থাকেন, তাঁর উচিত সেই সুযোগ যথাযথভাবে কাজে লাগিয়ে দেশ ও মানুষের কল্যাণে অবদান রাখা।
সভা শেষে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, যার হাতে যত দিন কাজ করার সুযোগ রয়েছে, সেই সময়টুকু যেন দেশের ও মানুষের স্বার্থে সঠিকভাবে কাজে লাগানো হয়।
প্রধানমন্ত্রী সভায় কর্মকর্তাদের আরও সক্রিয়ভাবে নিজেদের মতামত তুলে ধরার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বিভিন্ন পর্যায়ে কর্মরত কর্মকর্তাদের মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা ও পর্যবেক্ষণ সরকারের সিদ্ধান্ত গ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে ভবিষ্যতে আবারও আলোচনা হবে জানিয়ে তারেক রহমান আশা প্রকাশ করেন, পরবর্তী সভাগুলোতে কর্মকর্তারা আরও খোলামেলাভাবে নিজেদের অভিজ্ঞতা, পর্যবেক্ষণ ও মতামত তুলে ধরবেন।
সভায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, সচিব দেলোয়ার হোসেনসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন