নিহত আলাল হোসেন রাজুর বাড়ি মেহেরপুরের গাংনীতে। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) ঢাকা ও মস্কোর কূটনৈতিক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
এর আগে একই ঘটনায় জাকির হোসেন নামে আরও এক বাংলাদেশি কর্মী নিহত হওয়ার তথ্য পাওয়া যায়। তার পাসপোর্ট নম্বর A05819631। জাকিরের বাড়ি কিশোরগঞ্জের ভৈরবে। এ নিয়ে বিস্ফোরণের ঘটনায় দুই বাংলাদেশি কর্মীর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।
এ ঘটনায় গুরুতর আহত সাত বাংলাদেশি কর্মীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য আমুর থেকে মস্কোর বিশেষায়িত হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে ছয়জন বর্তমানে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
জানা গেছে, সিনোপেক কর্তৃপক্ষ আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনার পর ধ্বংসাবশেষ সরিয়ে প্রকল্পের কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে শুরু করেছে। সেখানে অবস্থানরত বাংলাদেশি কর্মীরাও বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছেন। বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে তাদের সঙ্গে সরাসরি এবং ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।
শুক্রবার মস্কোয় চিকিৎসাধীন সাত আহত বাংলাদেশি কর্মীকে দেখতে রাষ্ট্রদূত নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে দূতাবাসের কয়েকজন কর্মকর্তা হাসপাতালে যান।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালে এই কোম্পানির প্রকল্পে প্রায় ২ হাজার ৫০০ বাংলাদেশি কর্মী যোগ দেন। বর্তমানে প্রকল্পটি শেষ পর্যায়ে রয়েছে। প্ল্যান্ট-১০ ও প্ল্যান্ট-৪ মিলিয়ে সেখানে প্রায় ১ হাজার ৬০০ কর্মী কাজ করছেন।
মন্তব্য করুন