অর্থ মন্ত্রণালয়ের পে-স্কেল-সংক্রান্ত কাজের সঙ্গে যুক্ত এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, বুধবার রেজুলেশন বিজি প্রেসে পাঠানো হয়েছে। প্রক্রিয়াগত কার্যক্রম দ্রুত শেষ করা গেলে চলতি সপ্তাহেই গেজেট প্রকাশের আশা করা হচ্ছে।
এর আগে গত সোমবার মন্ত্রিসভায় নবম জাতীয় পে-স্কেল অনুমোদন করা হয়। নতুন বেতন কাঠামো ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হিসেবে ধরা হয়েছে। তবে প্রশাসনিক ও আইনগত বিভিন্ন ধাপ সম্পন্ন করতে প্রজ্ঞাপন জারিতে কিছুটা সময় লাগছে।
নতুন বেতন কাঠামোয় সরকারি কর্মচারীদের বিদ্যমান ২০টি গ্রেডই রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিটি গ্রেডের মূল বেতন নতুন করে নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০তম গ্রেডে সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব রয়েছে, যা ১৪২ শতাংশ বৃদ্ধি। আর প্রথম গ্রেডের মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা হবে।
তবে নতুন বেতন কাঠামো একবারে পুরোপুরি কার্যকর করা হবে না। ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের বর্ধিত অংশ তিন ধাপে এবং প্রথম থেকে নবম গ্রেডের বেতনও তিন ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে মূল বেতন ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৭ সালের ১ জুলাইয়ের মধ্যে ধাপে ধাপে কার্যকর হবে। বিভিন্ন ধরনের ভাতা ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে একযোগে কার্যকর করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রস্তাবিত পে-স্কেলে তুলনামূলকভাবে নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে কয়েকজন অর্থনীতিবিদ মনে করছেন, বড় পরিসরে বেতন বাড়লে মানুষের ব্যয়ের সক্ষমতা ও অর্থের প্রবাহ বাড়তে পারে। একই সময়ে পণ্য ও সেবার সরবরাহ না বাড়লে এর প্রভাব মূল্যস্ফীতির ওপরও পড়তে পারে।
মন্তব্য করুন