
৪৯তম বিসিএস (বিশেষ) পরীক্ষার মাধ্যমে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারে ৬১১ জন প্রার্থীকে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। আগামী ১২ অক্টোবর তাদের নির্ধারিত কার্যালয়ে যোগ দিতে বলা হয়েছে।
৪৯তম বিসিএস (বিশেষ) পরীক্ষার মাধ্যমে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারে ৬১১ জন প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আগামী ১২ অক্টোবর মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ নির্ধারিত কার্যালয়ে নিয়োগপ্রাপ্তদের যোগদান করতে হবে। নির্ধারিত তারিখে কেউ যোগদান না করলে তিনি চাকরিতে যোগদানে সম্মত নন বলে গণ্য হবেন এবং তার নিয়োগপত্র বাতিল বলে বিবেচিত হবে।
সরকারি কর্ম কমিশনের ২০২৫ সালের ২৭ নভেম্বরের সুপারিশের ভিত্তিতে ৬১১ জনকে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের প্রবেশ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। জাতীয় বেতনস্কেল, ২০২৬ অনুযায়ী এ পদে বেতনক্রম ৪৪,০০০ থেকে ১,০৫,৯০০ টাকা।
নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী, নিয়োগপ্রাপ্তদের বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে অথবা সরকার নির্ধারিত প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ নিতে হবে। বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ শেষে সংশ্লিষ্ট চাকরির প্রতিষ্ঠানে সরকার নির্ধারিত পেশাগত ও বিশেষ ধরনের প্রশিক্ষণও গ্রহণ করতে হবে।
নিয়োগপ্রাপ্তদের দুই বছর শিক্ষানবিস হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। প্রয়োজন হলে সরকার এই শিক্ষানবিসকাল সর্বোচ্চ আরও দুই বছর বাড়াতে পারবে। শিক্ষানবিসকালে কোনো কর্মকর্তা চাকরিতে বহাল থাকার অনুপযোগী বলে বিবেচিত হলে কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই এবং বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের সঙ্গে পরামর্শ ছাড়াই তাকে চাকরি থেকে অপসারণ করা যাবে।
প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্ন, বিভাগীয় পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এবং শিক্ষানবিসকাল সন্তোষজনকভাবে শেষ হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে চাকরিতে স্থায়ী করা হবে।
৪৯তম বিসিএস (বিশেষ) পরীক্ষা-২০২৫-এর ফলাফলের ভিত্তিতে প্রচলিত সরকারি বিধি-বিধান অনুযায়ী নিয়োগপ্রাপ্তদের জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ করা হবে। নিয়োগের পর কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিরূপ বা ভিন্নরূপ তথ্য পাওয়া গেলে প্রয়োজন অনুযায়ী এ আদেশ সংশোধন বা বাতিল করার অধিকার কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করেছে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, কোনো নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তি বিদেশি নাগরিককে বিয়ে করে থাকলে অথবা বিয়ের জন্য অঙ্গীকারাবদ্ধ হয়ে থাকলে তার নিয়োগপত্র বাতিল বলে গণ্য হবে।
চাকরিতে যোগদানের সময় সংশ্লিষ্ট ক্যাডার নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয়ে পরিবারের সদস্যদের মালিকানাধীন বা দখলে থাকা সব স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির বিবরণসংবলিত ঘোষণাপত্র জমা দিতে হবে। এ ছাড়া প্রতি পাঁচ বছর পরপর ডিসেম্বর মাসে সম্পত্তির হ্রাস-বৃদ্ধির হিসাবসংবলিত বিবরণী যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ক্যাডার নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয়ে জমা দিতে হবে।