
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বেলা আড়াইটার দিকে শিক্ষার্থীরা এ কর্মসূচি পালন করেন।
ডাকসু সংগ্রহশালা নতুন করে ‘সংস্কার’ করার পর সেখান থেকে একাধিক স্মৃতিবিজড়িত ও ঐতিহাসিক উপাদান সরিয়ে ফেলার অভিযোগ ওঠে। বিভিন্ন ছবি ও স্মারক সরানোর ক্ষেত্রেও কোনো নিয়ম মানা হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী ডাকসুর ভেতরে প্রবেশ করে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ও আবদুল মালেকের ছবি ছিঁড়ে ফেলেন।
এরপর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্কের সদস্যরা ডাকসুর ভেতরে গিয়ে সংগ্রহশালা পরিদর্শন করেন এবং সেখানে অনিয়মের অভিযোগ তোলেন।
এদিকে মঙ্গলবার জামায়াতপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন ইউনিভার্সিটি টিচার্স লিংক ডাকসু সংগ্রহশালা পরিদর্শন করে। পরিদর্শন শেষে দেওয়া ব্রিফিংয়ে ডাকসুর ভেতরে ‘মব’ করে ভাঙচুরের অভিযোগ তোলেন সংগঠনটির সদস্যরা। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।
অন্যদিকে, সংগ্রহশালায় এমন ছবি রাখার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে একটি কমিটি করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এ কাজের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একই বিষয়ে মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলন করেছে ছাত্র ফেডারেশন। তারা বলেছে, ডাকসুর সংগ্রহশালায় ইতিহাসের বিকৃতি ঘটেছে। সংবাদ সম্মেলন থেকে ডাকসুর স্মারক পুনর্বহালের দাবি জানানো হয়েছে।