হামলার পর রাশিয়াকে পাল্টা জবাব দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় বিকেলে কিয়েভের কেন্দ্রস্থলে এ হামলা হয়।
হামলার পর ঘটনাস্থল থেকে ঘন কালো ধোঁয়া উঠতে দেখা যায়। জরুরি বিভাগের কর্মীরা সেখানে গিয়ে উদ্ধার ও নিরাপত্তার কাজ শুরু করেন।
হামলায় অন্তত পাঁচজন আহত হওয়ার কথা জানিয়েছেন কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিচকো। পরে আহতের সংখ্যা আরও বাড়ার খবর পাওয়া গেছে।
হামলার স্থানটি কিয়েভের ভলোদিমিরস্কা স্ট্রিটে অবস্থিত। এসবিইউর কেন্দ্রীয় ভবনটি সেন্ট সোফিয়া ক্যাথেড্রালের বিপরীতে এবং গোল্ডেন গেট এলাকার কাছাকাছি। ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ এ এলাকায় হামলার ঘটনায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
জেলেনস্কি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় বলেন, তিনি এসবিইউর ভারপ্রাপ্ত প্রধান ওলেক্সান্ডার পোকলাদের সঙ্গে কথা বলেছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, একটি রুশ ড্রোন এসবিইউর কেন্দ্রীয় ভবনে আঘাত হানে এবং সেটি সরাসরি সংস্থাটির প্রধানের কার্যালয়কে লক্ষ্য করে পরিচালিত হয়েছিল।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট আরও জানান, তিনি পোকলাদকে রাশিয়াকে ‘উপযুক্ত ও দৃশ্যমান’ জবাব দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। সম্ভব হলে রাশিয়ার হামলার ধরন অনুসরণ করে পাল্টা জবাব দেওয়ার কথাও বলেছেন তিনি। এ জবাবে ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী সহযোগিতা করবে বলে জানান জেলেনস্কি।
হামলার সময় পোকলাদ তার কার্যালয়ে ছিলেন না বলে ইউক্রেনীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে। ফলে হামলার মূল লক্ষ্য ব্যক্তি হলেও তিনি এতে আক্রান্ত হননি।
সাম্প্রতিক দিনগুলোতে কিয়েভে রুশ ড্রোন হামলা আরও ঘন ঘন হচ্ছে। দিনের বেলাতেও রাজধানীতে হামলা চালানো হচ্ছে, যা শহরের স্বাভাবিক জনজীবন ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করেছে।
এসবিইউ সদর দপ্তরে হামলার ঘটনাকে ইউক্রেনের জন্য বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ, রাজধানীর কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা স্থাপনা এবার সরাসরি হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। এর ফলে রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতের উত্তেজনা আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
সূত্র: ইউরো নিউজ
মন্তব্য করুন